বেইলি রোডে আগুন:সরকার ও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বারবার মর্মান্তিক ঘটনা

বেইলি রোডে আগুন:সরকার ও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বারবার মর্মান্তিক ঘটনা

বেইলি রোডে আগুন:সরকার ও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বারবার মর্মান্তিক ঘটনা

বেইলি রোডে আগুন:সরকার ও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বারবার মর্মান্তিক ঘটনা

সহজে পেয়ে যাওয়া ক্ষমতা, রিনিউ টাইপ সরকার,মূল্যবোধহীন দুর্বৃত্ত পরায়ণ কর্তৃপক্ষ, পুলিশী রাষ্ট্র ব্যবস্থা, জনগণ থেকে বহু ক্রোশ দূরে অবস্থিত সরকার ব্যবস্থা কখনোই কোনো জবাবদিহিতাকে পরোয়া করেনা। আর যার কারণেই অগ্নিকাণ্ডের মত এই ঘটনাগুলো বারবার ঘটে যাচ্ছে । অমানবিক অসহ্য অযোগ্য রাষ্ট্র পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনাকে আমূল পরিবর্তন করার জন্য কয়েক ডজন শুধুমাত্র কয়েক ডজন যোগ্য সাহসী নির্ভয় ভালো মানুষের দরকার।
রাজধানীর বেইলি রোডে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬ হয়েছে। এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আজ শুক্রবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এসে এ তথ্য জানান। এ ঘটনায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১০ জন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ২ জন।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভবনটিতে আগুন লাগে। আগুন নেভানোর পর আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়।
রাজধানীর বেইলি রোডে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের পর আটকে পড়া লোকজনকে উদ্ধার করছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
গতরাতে বেইলি রোডে যে ভবনে আগুন লেগেছে সেটি সাততলা ভবন। ভবনের দ্বিতীয় তলায় ‘কাচ্চি ভাই’ নামে একটি খাবারের দোকান রয়েছে। তৃতীয় তলায় কাপড়ের দোকান ছাড়াও উপরের তলায় খাবারের দোকান রয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর খাবারের স্টলে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। পরিবার নিয়ে অনেকেই সেখানে খেতে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগার পর তা ওপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। এছাড়া ক্রেনের সাহায্যে ভবনের সপ্তম তলায় ও ছাদে আশ্রয় নেওয়া লোকজনকে নামিয়ে আনেন তারা।
ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেছেন, এ ঘটনায় ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এ ঘটনায় গুরুতর আহত ৮ জন বার্ন ইনস্টিটিউটে এবং ১৪ জন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে মন্ত্রী জানান।
আধা ঘণ্টা পর পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে একটি লাশ রয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
শুক্রবার ভোর ৫টা ৪১ মিনিটে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় জড়িত।
আগুন লাগার পর ভবনের ভেতরে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ভবনে তল্লাশি চালিয়ে অনেক অচেতন মানুষকে বের করে আনেন। বেশ কয়েকজনকে ফায়ার সার্ভিসের ফ্রিজার ভ্যানে তুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, ভবন থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া অচেতন অবস্থায় ৪৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। অচেতন অবস্থায় উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ২১ জন নারী ও ৪ শিশু। এছাড়া ১৫ নারীসহ ৭৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
মোঃ মাইন উদ্দিন বলেন, ভবনের তৃতীয় তলায় একটি কাপড়ের দোকান ছাড়া বাকি সব তলায় রেস্টুরেন্ট ছিল। এসব রেস্টুরেন্টে অনেক গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। এগুলো এক পর্যায় বিস্ফোরিত হয় এবং আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় যারা আহত হয়েছেন তাদের বেশির ভাগই ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। তাদের শরীরে কোনো পোড়ার চিহ্ন দেখা যায়নি।
ভবনটিতে উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মী সাংবাদিকদের জানান, ভবনের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সিঁড়িতে বড় বড় গ্যাস সিলিন্ডার রয়েছে। আগুন লেগে লোকজন বের হতে পারছে না।
আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে র‌্যাব-৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান বেলা আড়াইটার দিকে সাংবাদিকদের বলেন, ভবনের নিচতলায় একটি কফিশপ রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন সেখানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুন লেগেছে।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া জানান, বহুতল ভবনের নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
তদন্ত কমিটি
ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভবনটিতে আর কোনো মৃতদেহ আছে কি না তা নিশ্চিত করতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আজ সকালে আরেকটি তল্লাশি চালাবে।
আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ও ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। সেখানে সাংবাদিকদের আইজিপি বলেন, “আমাদের এক সহকর্মীর মেয়ে মারা গেছে। আরেকজন পুলিশ হাসপাতালে মারা গেছে। দোয়া করবেন উদ্ধার হওয়া ৭৫ জনের প্রাণ যেন রক্ষা পায়।
ঢাকা মেডিকেলে করুণ দৃশ্য
আহতদের ভবন থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাত একটার পর সেখানে এক মর্মান্তিক দৃশ্য দেখা যায়। একে একে আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে করে সেখানে নিয়ে আসা হয়। জরুরি বিভাগের দরজায় একটি ট্রলি প্রস্তুত রাখা হয়েছে যাতে রোগীরা অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামার সাথে সাথে কোনও সমস্যা ছাড়াই হাসপাতালে ভর্তি হতে পারে। আহতদের অ্যাম্বুলেন্স থেকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণ কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘরের বাইরে স্বজনদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
ভবনটিতে রেস্তোরাঁ কসহজে পেয়ে যাওয়া ক্ষমতা, রিনিউ টাইপ সরকার,মূল্যবোধহীন দুর্বৃত্ত পরায়ণ কর্তৃপক্ষ, পুলিশী রাষ্ট্র ব্যবস্থা, জনগণ থেকে বহু ক্রোশ দূরে অবস্থিত সরকার ব্যবস্থা কখনোই কোনো জবাবদিহিতাকে পরোয়া করেনা। আর যার কারণেই অগ্নিকাণ্ডের মত এই ঘটনাগুলো বারবার ঘটে যাচ্ছে । অমানবিক অসহ্য অযোগ্য রাষ্ট্র পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনাকে আমূল পরিবর্তন করার জন্য কয়েক ডজন শুধুমাত্র কয়েক ডজন যোগ্য সাহসী নির্ভয় ভালো মানুষের দরকার।
রাজধানীর বেইলি রোডে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬ হয়েছে। এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আজ শুক্রবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এসে এ তথ্য জানান। এ ঘটনায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১০ জন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ২ জন।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভবনটিতে আগুন লাগে। আগুন নেভানোর পর আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়।
রাজধানীর বেইলি রোডে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের পর আটকে পড়া লোকজনকে উদ্ধার করছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
গতরাতে বেইলি রোডে যে ভবনে আগুন লেগেছে সেটি সাততলা ভবন। ভবনের দ্বিতীয় তলায় ‘কাচ্চি ভাই’ নামে একটি খাবারের দোকান রয়েছে। তৃতীয় তলায় কাপড়ের দোকান ছাড়াও উপরের তলায় খাবারের দোকান রয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর খাবারের স্টলে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। পরিবার নিয়ে অনেকেই সেখানে খেতে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগার পর তা ওপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। এছাড়া ক্রেনের সাহায্যে ভবনের সপ্তম তলায় ও ছাদে আশ্রয় নেওয়া লোকজনকে নামিয়ে আনেন তারা।
ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেছেন, এ ঘটনায় ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এ ঘটনায় গুরুতর আহত ৮ জন বার্ন ইনস্টিটিউটে এবং ১৪ জন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে মন্ত্রী জানান।
আধা ঘণ্টা পর পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে একটি লাশ রয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
শুক্রবার ভোর ৫টা ৪১ মিনিটে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় জড়িত।
আগুন লাগার পর ভবনের ভেতরে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ভবনে তল্লাশি চালিয়ে অনেক অচেতন মানুষকে বের করে আনেন। বেশ কয়েকজনকে ফায়ার সার্ভিসের ফ্রিজার ভ্যানে তুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, ভবন থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া অচেতন অবস্থায় ৪৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। অচেতন অবস্থায় উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ২১ জন নারী ও ৪ শিশু। এছাড়া ১৫ নারীসহ ৭৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
মোঃ মাইন উদ্দিন বলেন, ভবনের তৃতীয় তলায় একটি কাপড়ের দোকান ছাড়া বাকি সব তলায় রেস্টুরেন্ট ছিল। এসব রেস্টুরেন্টে অনেক গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। এগুলো এক পর্যায় বিস্ফোরিত হয় এবং আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় যারা আহত হয়েছেন তাদের বেশির ভাগই ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। তাদের শরীরে কোনো পোড়ার চিহ্ন দেখা যায়নি।
ভবনটিতে উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মী সাংবাদিকদের জানান, ভবনের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সিঁড়িতে বড় বড় গ্যাস সিলিন্ডার রয়েছে। আগুন লেগে লোকজন বের হতে পারছে না।
আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে র‌্যাব-৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান বেলা আড়াইটার দিকে সাংবাদিকদের বলেন, ভবনের নিচতলায় একটি কফিশপ রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন সেখানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুন লেগেছে।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া জানান, বহুতল ভবনের নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
তদন্ত কমিটি
ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভবনটিতে আর কোনো মৃতদেহ আছে কি না তা নিশ্চিত করতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আজ সকালে আরেকটি তল্লাশি চালাবে।
আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ও ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। সেখানে সাংবাদিকদের আইজিপি বলেন, “আমাদের এক সহকর্মীর মেয়ে মারা গেছে। আরেকজন পুলিশ হাসপাতালে মারা গেছে। দোয়া করবেন উদ্ধার হওয়া ৭৫ জনের প্রাণ যেন রক্ষা পায়।
ঢাকা মেডিকেলে করুণ দৃশ্য
আহতদের ভবন থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাত একটার পর সেখানে এক মর্মান্তিক দৃশ্য দেখা যায়। একে একে আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে করে সেখানে নিয়ে আসা হয়। জরুরি বিভাগের দরজায় একটি ট্রলি প্রস্তুত রাখা হয়েছে যাতে রোগীরা অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামার সাথে সাথে কোনও সমস্যা ছাড়াই হাসপাতালে ভর্তি হতে পারে। আহতদের অ্যাম্বুলেন্স থেকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণ কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘরের বাইরে স্বজনদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
ভবনটিতে রেস্তোরাঁ করার অনুমোদন ছিল না: রাজউক
ভবনে রেস্তোরাঁ রাখার অনুমতি ছিল না : রাজউকের নগর পরিকল্পনাবিদ ও ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যানিং (ড্যাপ) প্রকল্পের পরিচালক আশরাফুল ইসলাম বলেন, এক থেকে সাততলা পর্যন্ত ভবনের বাণিজ্যিক অনুমতি নেওয়া হয়েছে। তবে এটি শুধুমাত্র অফিস ব্যবহারের জন্য। রেস্তোরাঁ, শোরুম বা অন্য কিছুর অনুমোদন নেই।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ভবনের নিচতলায় ‘স্যামসাং’ ও ‘গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার’ নামের দুটি ইলেকট্রনিকস সরঞ্জাম বিক্রির দোকান, ‘শেখলিক’ নামের একটি জুস বার (ফলের রস বিক্রির দোকান) ও ‘চুমুক’ নামের একটি চা-কফি বিক্রির দোকান ছিল। দ্বিতীয় তলায় ‘কাচ্চি ভাই’ নামের একটি রেস্তোরাঁ, তৃতীয় তলায় ‘ইলিয়ন’ নামের একটি পোশাকের দোকান, চতুর্থ তলায় ‘খানাস’ ও ‘ফুকো’ নামের দুটি রেস্তোরাঁ, পঞ্চম তলায় ‘পিৎজা ইন’ নামের একটি রেস্তোরাঁ, ষষ্ঠ তলায় ‘জেসটি’ ও ‘স্ট্রিট ওভেন’ নামের দুটি রেস্তোরাঁ এবং ছাদের একাংশে ‘অ্যামব্রোসিয়া’ নামের একটি রেস্তোরাঁ ছিল।
অবশ্য ভবনের ছবিতে সপ্তম তলায় ‘হাক্কাঢাকা’ নামের একটি রেস্তোরাঁর সাইনবোর্ড দেখা যায়, যা ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে আসেনি।
যদিও রাজউক বলছে ভবনটি রেস্টুরেন্ট বা কাপড়ের দোকানের জন্য অনুমোদিত নয়, ফায়ার সার্ভিসও বলছে ভবনটিতে অগ্নি নিরাপত্তার অভাব রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন আজ বেইলি রোডে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ভবনটিতে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। ঝুঁকির কথা জানিয়ে ভবন কর্তৃপক্ষকে তিনটি চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
রার অনুমোদন ছিল না: রাজউক
ভবনে রেস্তোরাঁ রাখার অনুমতি ছিল না : রাজউকের নগর পরিকল্পনাবিদ ও ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যানিং (ড্যাপ) প্রকল্পের পরিচালক আশরাফুল ইসলাম বলেন, এক থেকে সাততলা পর্যন্ত ভবনের বাণিজ্যিক অনুমতি নেওয়া হয়েছে। তবে এটি শুধুমাত্র অফিস ব্যবহারের জন্য। রেস্তোরাঁ, শোরুম বা অন্য কিছুর অনুমোদন নেই।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ভবনের নিচতলায় ‘স্যামসাং’ ও ‘গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার’ নামের দুটি ইলেকট্রনিকস সরঞ্জাম বিক্রির দোকান, ‘শেখলিক’ নামের একটি জুস বার (ফলের রস বিক্রির দোকান) ও ‘চুমুক’ নামের একটি চা-কফি বিক্রির দোকান ছিল। দ্বিতীয় তলায় ‘কাচ্চি ভাই’ নামের একটি রেস্তোরাঁ, তৃতীয় তলায় ‘ইলিয়ন’ নামের একটি পোশাকের দোকান, চতুর্থ তলায় ‘খানাস’ ও ‘ফুকো’ নামের দুটি রেস্তোরাঁ, পঞ্চম তলায় ‘পিৎজা ইন’ নামের একটি রেস্তোরাঁ, ষষ্ঠ তলায় ‘জেসটি’ ও ‘স্ট্রিট ওভেন’ নামের দুটি রেস্তোরাঁ এবং ছাদের একাংশে ‘অ্যামব্রোসিয়া’ নামের একটি রেস্তোরাঁ ছিল।
অবশ্য ভবনের ছবিতে সপ্তম তলায় ‘হাক্কাঢাকা’ নামের একটি রেস্তোরাঁর সাইনবোর্ড দেখা যায়, যা ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে আসেনি।
যদিও রাজউক বলছে ভবনটি রেস্টুরেন্ট বা কাপড়ের দোকানের জন্য অনুমোদিত নয়, ফায়ার সার্ভিসও বলছে ভবনটিতে অগ্নি নিরাপত্তার অভাব রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন আজ বেইলি রোডে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ভবনটিতে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। ঝুঁকির কথা জানিয়ে ভবন কর্তৃপক্ষকে তিনটি চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published.

    X