June 19, 2024

Warning: Undefined array key "tv_link" in /home/admin/web/timetvusa.com/public_html/wp-content/themes/time-tv/template-parts/header/mobile-topbar.php on line 53
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড: এখনও দুই অপরাধীকে খুঁজছে র‌্যাব ১০০ বারে পিছিয়েছে প্রতিবেদন দাখিলের সময়: এখনো শেষ হয়নি খাতুন সাহাবের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড: এখনও দুই অপরাধীকে খুঁজছে র‌্যাব ১০০ বারে পিছিয়েছে প্রতিবেদন দাখিলের সময়: এখনো শেষ হয়নি খাতুন সাহাবের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড: এখনও দুই অপরাধীকে খুঁজছে র‌্যাব ১০০ বারে পিছিয়েছে প্রতিবেদন দাখিলের সময়:  এখনো শেষ হয়নি খাতুন সাহাবের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড: এখনও দুই অপরাধীকে খুঁজছে র‌্যাব ১০০ বারে পিছিয়েছে প্রতিবেদন দাখিলের সময়:  এখনো শেষ হয়নি খাতুন সাহাবের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

সাগর-রুনি হত্যার দুই অপরাধীকে এখনো খুঁজছে র‌্যাব সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১০০ বার পিছিয়ে দিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব জানিয়েছে, মামলার দুই আসামিকে তারা এখনও খুঁজছে। মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত শেষ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন। তবে নয় বছর পেরিয়ে গেলেও একাধিক সংস্থা হাত বদল করেও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ইতোমধ্যে আদালত থেকে একশ’ বার সময় নেওয়া হয়েছে।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন র‌্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, সাগর-রুনি হত্যার প্রকৃত আসামিকে ধরতে র‌্যাব কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টে দুই অপরাধীর তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্তকরণের কাজ চলছে। তাদের শনাক্ত করতে না পারায় এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বিলম্ব হচ্ছে।

র‌্যাবের মুখপাত্র বলেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি আমরা অত্যন্ত আন্তরিকতা ও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। আমরা ডিএনএ নমুনা যুক্তরাষ্ট্রের একটি কোম্পানিতে পাঠিয়েছি। সেখান থেকে পাওয়া রিপোর্টে সন্দেহভাজন দুটি নমুনা পাওয়া গেছে। আমরা এখনো এই দুই সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করতে পারিনি। তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহরুন রুনি খুন হন। এরপর এক দশক পেরিয়ে গেছে।

কিন্তু তদন্তে কোনো অগ্রগতি নেই।

গত ২৪ জানুয়ারি এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। ওই দিন ঢাকা মহানগর হাকিম তরিকুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি নতুন তারিখ ধার্য করেন।

২০২০ সালের ৩ মার্চ তদন্তকারী কর্মকর্তা হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দেন। পরে একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রায় অভিন্ন অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি জড়িত ছিল। সাগরের ব্যাগ ও রুনির টি-শার্টে দুইজনের ডিএনএ প্রমাণ পাওয়া গেছে। কর্তৃপক্ষ বর্তমানে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফরেনসিক সার্ভিস এবং প্যারাবন স্ন্যাপশট ল্যাবের সাথে যোগাযোগ করছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ল্যাব যা অপরাধীদের শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ রিপোর্ট তৈরি করে। ডিএনএর মাধ্যমে অপরাধীর ছবি তৈরিতে কাজ করছে সংস্থা দুটি।

মার্কিন ল্যাব থেকে র‌্যাবের ফরেনসিক রিপোর্ট না পাওয়াকে তদন্তে বিলম্বের কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি এএনএম ইমরান খান সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিএনএ ও ফরেনসিক রিপোর্ট না পাওয়ায় তদন্তে বিলম্ব হচ্ছে। আমরা তাদের সাথে যোগাযোগ করছি। অন্যান্য তদন্ত চলছে। কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। বাকিটা এখন নির্ভর করছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর ডিএনএ ও ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার ওপর।

দীর্ঘ সময় পার হলেও তদন্ত শেষ না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন সাগর সরোয়ারের মা সালেহা মনির। আদালতের কাছে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ১০ বছর হয়ে গেছে, এখনো হত্যার বিচার পাইনি। মামলার তারিখ আসে এবং যায়। কোনো কাজ করা হয় না।  আমরা  হত্যার বিচার পাইনি। কবরের পাশে কী বলব, বিচার নেই। কিন্তু বিচার একদিন হবেই। আমরা  আমৃত্যু, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত সাগর-রুনি হত্যার বিচার চাইব। দুনিয়া বিচার না করলেও উপরে যিনি আছেন তিনি অবশ্যই বিচার করবেন।

তদন্তে এই বিলম্বকে অস্বাভাবিক বলছেন আইনজীবীরা। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু বলেন, সাধারণত অন্যান্য মামলার তদন্তের চেয়ে বেশি সময় লাগছে । যেহেতু এটি একটি স্পর্শকাতর মামলা, তাই তদন্তকারী সংস্থা সঠিকভাবে প্রতিবেদন দাখিল করতে এই সময় নিতে পারে।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহরুন রুনি। পরদিন সকালে আহত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে রাতেই রুনির ভাই নওশের আলম বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর সারাদেশের সাংবাদিক মহলে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। দ্রুত খুনিদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি উঠেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন দ্রুততম সময়ের মধ্যে রহস্য উদঘাটনের আশ্বাস দিয়েছিলেন। এটি কেবল একটি প্রতিশ্রুতিই  থেকে যায়।

আরও পড়ুন

বিশ্ববাসীর চোখ তিনটি নির্বাচনের দিকে

তদন্তের বিষয়ে র‌্যাবের মুখপাত্র আজ বলেন, আমরা দুজনের বিষয়ে তথ্য পেয়েছি, তবে আমরা এখনও তাদের শনাক্ত করতে পারিনি। আমরা যে রিপোর্ট পেয়েছি তাতে আমরা কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাইনি। কারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি তদন্তকারী কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী খুঁজে বের করা প্রয়োজন, যাতে অন্য  কেউ এর  শিকার না হয়। আমি কোনো ধরনের বিতর্কে জড়াতে চাই না। ডিএনএ টেস্টে পাওয়া দুই অপরাধীকে শনাক্ত করার কাজ চলছে। এই দুইজনকে শনাক্ত করতে পারলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারব। আমরা কয়েকবার নির্যাতিতার পরিবারকে এই তথ্য দিয়েছি, তারাও বিষয়টি অবগত।

    1 Comment

    Leave a Reply

    Your email address will not be published.

    X