ক্রম-হ্রাসমান জন্মহারে চিন্তিত ট্রাম্প প্রশাসন
বিয়ে বা সন্তান ধারণ: সুযোগ করে দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে উন্নত বসবাসের

আমেরিকায় জন্মহার কমতে থাকায়, ট্রাম্প প্রশাসন এখন একটি অভিনব পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছে। সম্প্রতি, ইউএস প্রশাসনের কর্মকর্তারা কিছু নতুন প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে বিবাহ এবং সন্তান জন্মদানের সাথে যুক্ত নাগরিকদের জন্য বিশেষ সুবিধা বা আর্থিক সহায়তার পরিকল্পনা।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুসারে, ফুলব্রাইট বৃত্তি গ্রহণের সময় আমেরিকান উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিবাহিত বা গর্ভবতীদের জন্য ৩০% আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকার বিবাহ প্রতিষ্ঠানগুলিকে উৎসাহিত করতে চায়।
এছাড়াও, সন্তান জন্মদানের পর মায়েদের ৫,০০০ ডলার আর্থিক সহায়তা প্রদানের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। এই আর্থিক সহায়তা মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচের ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
আরেকটি প্রস্তাব হলো মেয়েদের তাদের মাসিক চক্র সম্পর্কে আরও সচেতন করা, যাতে তারা জানতে পারে কখন তারা গর্ভবতী হতে পারে। এই ধারণা তাদের পরিবার পরিকল্পনা করতে এবং সঠিক সময়ে সন্তান ধারণ করতে সাহায্য করবে।
২০১৭ সাল থেকে আমেরিকায় জন্মহার কমতে শুরু করেছে। সরকার এই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে এবং বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। যদিও কোনও প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়নি, প্রশাসন ইতিমধ্যেই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের তাদের সন্তানদের নিয়ে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।
মার্কিন প্রশাসন এ নিয়ে বেশ চিন্তিত। এই পরিস্থিতিতে, সন্তান ধারণে উৎসাহিত করার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন বেশ কিছু পরিকল্পনা নিয়ে আসছে।
বিবাহ করলে বা সন্তান ধারণ করলে আমেরিকায় অর্থ বা অতিরিক্ত সুবিধা পেতে পারেন! যুক্তরাষ্ট্রে জন্মহার বাড়ানোর জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এটিই পরিকল্পনা।
কোন পরিকল্পনাটি শেষ পর্যন্ত সবুজ সংকেত পাবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, মূলত ২০০৭ সাল থেকে আমেরিকায় জন্মহার কমা লক্ষ করা যাচ্ছে । মার্কিন প্রশাসন এ নিয়ে বেশ চিন্তিত।
হোয়াইট হাউস সূত্র জানিয়েছে যে, নাগরিকদের সন্তান ধারণের জন্য উৎসাহ বৃদ্ধির জন্য, উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ইতিমধ্যেই তাদের সন্তানদের সাথে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বলা হয়েছে।
এটা নতুন কিছু নয়, চীন, জাপান সহ অনেক দেশ জন্মহার বাড়ানোর জন্য একই রকম পদক্ষেপ নিয়েছে। এবার আমেরিকাও এই পথ অনুসরণ করতে চলেছে।
আমেরিকা এর আরো খবর

নিউইয়র্ক সিটি মেয়র পদে তহবিল সংগ্রহে এগিয়ে জোহরান মামদানি

হারিকেন ইরিনের পর খুলছে নিউইয়র্ক ও নর্থ ক্যারোলিনার সৈকত

নিউইয়র্কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: পর্যটকবাহী বাস উল্টে ৫ জন নিহত

নিউইয়র্কে উচ্ছেদের হার ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ

নিউইয়র্কে প্রতিমাসে ৩১৬ জন পুলিশ কর্মকর্তার পদত্যাগ: রিপোর্ট
