ব্রাউন সুগার বা বাদামি চিনি খাওয়া কি ভালো
স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাউন সুগার বা বাদামি চিনিও একরকমের গুড়। আরও সহজ করে বললে, গুড় ও সাদা চিনির সমন্বয়ে তৈরি হয় বাদামি চিনি। এই গুড়ের উপস্থিতির কারণেই বাদামি চিনি সাদা চিনির চেয়ে আলাদা। অনেক কম প্রক্রিয়াজাত হয়, যে কারণে বাদামি চিনি কিছুটা স্বাস্থ্যকর।
গুড় ছাড়াও এই চিনিতে কিছু পুষ্টিকর উপাদান ও খনিজ থাকে, যা সাদা চিনিতে থাকে না। এর মধ্যে অন্যতম পটাশিয়াম। এ ছাড়া সামান্য পরিমাণ ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন বি আছে বাদামি চিনিতে। পুষ্টি উপাদানের নিরিখে সাদা চিনির চেয়ে বাদামি চিনি কিছুটা এগিয়ে থাকে।
কিন্তু দুই চিনিতেই ক্যালরির পরিমাণ প্রায় সমান। এক চামচ সাদা চিনি ও এক চামচ বাদামি চিনিতে যথাক্রমে ১৬ ও ১৭ ক্যালরি থাকে। তাই ওজন কমাতে বাদামি চিনি খাওয়ার অভ্যাস মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।
তবে যেসব সুবিধা বাদামি চিনি থেকে পাওয়া যায়
১. গুড় থাকার কারণে এই চিনিতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়, যা হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে।
২. এর মধ্যে বিদ্যমান ভিটামিন বি৬, নায়াসিন ও প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
৩. এটি সরল শর্করা। তাই তাড়াতাড়ি রক্তে মিশে শক্তি উৎপন্ন করে। তাই যাঁদের রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়, তাঁরা গ্রহণ করে সঙ্গে সঙ্গে উপকৃত হবেন।
৪. এতে পটাশিয়াম থাকায় মাসিকের ব্যথা কমাতে কিছুটা হলেও উপকারী। আদাসহযোগে বাদামি চিনি দিয়ে চা খেলে পেটব্যথা কম অনুভূত হয়।
৫. রক্তের লাল কোষ গঠন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৮. মানসিক চাপ কমায়।
যেহেতু সাদা চিনি ও বাদামি চিনির ক্যালরি ও শর্করার পরিমাণ প্রায় সমান, তাই প্রয়োজনের বেশি খেলে রক্তে শর্করা বাড়বে। সব সময় খেলে টাইপ–২ ডায়াবেটিস, ক্যানসার ও হৃদ্রোগের মতো রোগ দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া বাদামি চিনি বেশি খেলে দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়।
স্বাস্থ্য এর আরো খবর

মাথাব্যথা মানেই কি দৃষ্টির সমস্যা

মেরুদণ্ডের গড়ন বদলে দিতে পারে যে বাতরোগ
