মসজিদহীন তিনটি দেশ
স্লোভাকিয়া , এস্তোনিয়া ও মোনাকো। ইউরোপের এই তিন দেশে কোনো মসজিদ নেই
সেখানে বহু মুসলমানের বসবাস। তবে দেশে একটিও মসজিদ নেই। বহুবার তারা তাদের নামাজের জন্য এলাকায় একটি মসজিদ করার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু কার্যত কিছুই হয়নি। এটা কোন দেশে ঘটেছে?
বিশ্বের সর্বত্র মুসলিম এবং খ্রিস্টান পাওয়া যায়। এবং যখনই তাদের জনসংখ্যা একটি নির্দিষ্ট এলাকায় একটি নির্দিষ্ট স্তরে পৌঁছায়, তারা সম্মিলিতভাবে ধর্মীয় আচার পালনের জন্য একটি উপাসনালয়ের কথা ভাবেন। কিন্তু এই কয়েকটি স্থানে মুসলমানরা কখনো তাদের জন্য মসজিদের ব্যবস্থা করতে পারেনি।
১. এমন দেশের তালিকার একেবারে শীর্ষে রয়েছে স্লোভাকিয়া।( মধ্য ইউরোপের একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র) যা চেকোস্লোভাকিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। এখানে মুসলিম জনসংখ্যা কমপক্ষে ৫০০০। এটি দেশের মোট জনসংখ্যার ০.১ শতাংশ।
এখানকার মানুষ বহুবার মসজিদের দাবি তুলেছেন। ২০০০ সাল নাগাদ এখানে অনেক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। যাইহোক, ২০১৬ সালে একটি আইন পাস হয়েছিল, যাতে বলা হয়েছে যে এই দেশে কোনও ধর্মীয় পরিচয় নির্দিষ্ট করা হবে না।
২. এরকম আরেকটি দেশ হল এস্তোনিয়া।( উত্তর ইউরোপের একটি রাষ্ট্র) ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে, এই দেশে প্রায় ১৫০৮ জন মুসলমান বাস করে। সংখ্যাটি সমগ্র দেশের মোট জনসংখ্যার০.১৪ শতাংশ। অথচ এদেশে একটি মসজিদও দেখবেন না! তবে এদেশে ফ্ল্যাটে নামাজ পড়ার রেওয়াজ রয়েছে।
৩. আরেকটি দেশ মোনাকো।( এটিও ইউরোপ মহাদেশের একটি রাষ্ট্র) এখানেও একটি বিশাল সংখ্যার মুসলিম সম্প্রদায়ের বসবাস। কিন্তু এখানে কোনো মসজিদ নেই।
1 Comment